মাছের পুকুরে পোল্ট্রি লিটার বা বিষ্ঠার ব্যবহার না করা পোল্ট্রি বিষ্ঠাতে প্রচুর খাদ্যমান রয়েছে এবং তুলনামুলক সস্তা । এ ভাবনা থেকে অনেক মৎস্য খামারি পোল্ট্রি লিটারকেই কেবল মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু লিটার ব্যবহারের কারণে চাষিদের নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
পোল্ট্রি লিটারে কাঠের গুড়া ও নানা তুষ ব্যবহার করা হয় যা মাছ খেয়ে হজম করতে পারেনা এবং তা থেকে বদহজম হয়ে পেট ফুলে মাছ মারা যায়। অনেক সময় আবার লিটারে কেবল তুষ থাকার কারণে একই সমস্যা হয়।
অধিক পরিমাণে লিটার পানির গুণাগুণ নষ্ট করে। পানিতে অ্যামোনিয়াসহ নানা ক্ষতিকর গ্যাসের আধিক্য হয়, ফলস্বরূপ ক্ষতিকর এ গ্যাস সমূহের কারণে ব্যাপকহারে মাছ মারা যায়।
পোল্ট্রি লিটারে ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিক মাছের দেহে প্রবেশ করে এবং মাছে এ এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ইউরোপীয় দেশসমূহে মাছে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মাছ অনেক সময় এসব এন্টিব্যায়োটিক এর বিরুদ্ধে রেজিস্টান্স হয়ে যায় ফলে রোগাক্রান্ত মাছকে চিকিৎসা করলেও আর রোগ ভাল হয় না।
পানির গুণাগুণ রক্ষা করতে গিয়ে ও রোগাক্রান্ত মাছকে চিকিৎসা করতে ঔষধপত্র কিনতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়।
এ কারণে সস্তায় লাভের মানসিকতা পরিহার করতে পোল্ট্রি লিটার মাছ চাষে ব্যবহারে বিরত থাকা উচিত।
পোল্ট্রি লিটারে কাঠের গুড়া ও নানা তুষ ব্যবহার করা হয় যা মাছ খেয়ে হজম করতে পারেনা এবং তা থেকে বদহজম হয়ে পেট ফুলে মাছ মারা যায়। অনেক সময় আবার লিটারে কেবল তুষ থাকার কারণে একই সমস্যা হয়।
অধিক পরিমাণে লিটার পানির গুণাগুণ নষ্ট করে। পানিতে অ্যামোনিয়াসহ নানা ক্ষতিকর গ্যাসের আধিক্য হয়, ফলস্বরূপ ক্ষতিকর এ গ্যাস সমূহের কারণে ব্যাপকহারে মাছ মারা যায়।
পোল্ট্রি লিটারে ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিক মাছের দেহে প্রবেশ করে এবং মাছে এ এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ইউরোপীয় দেশসমূহে মাছে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মাছ অনেক সময় এসব এন্টিব্যায়োটিক এর বিরুদ্ধে রেজিস্টান্স হয়ে যায় ফলে রোগাক্রান্ত মাছকে চিকিৎসা করলেও আর রোগ ভাল হয় না।
পানির গুণাগুণ রক্ষা করতে গিয়ে ও রোগাক্রান্ত মাছকে চিকিৎসা করতে ঔষধপত্র কিনতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়।
এ কারণে সস্তায় লাভের মানসিকতা পরিহার করতে পোল্ট্রি লিটার মাছ চাষে ব্যবহারে বিরত থাকা উচিত।



0 Comments