Pearson Square পদ্ধতি বা Box method এর মাধ্যমে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ নির্ধারণঃ-
মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য খাদ্যে ২৫-৪০% প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। মাছের প্রজাতিভেদে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ কমবেশি হয়ে থাকে। খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণের ওপর খাদ্যমান নির্ভর করে অর্থাৎ যে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ যত বেশি সেই খাদ্য তত ভালো বলে আমরা ধরে নিয়ে থাকি। দেশে বিদ্যমান মাছের খাদ্য প্রস্তুতকারী কারখানার মালিকগণ তাদের কারখানায় নিযুক্ত পুষ্টি বিশেষজ্ঞ দিয়ে মাছের খাদ্যের পুষ্টিমান নির্ধারণ করে থাকেন।
অন্যদিকে খাদ্যের দাম কমানোর জন্য অর্থাৎ উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য অথবা খাদ্যমানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য, অনেক মাছচাষি নিজেরাই খাদ্য তৈরি করে থাকেন। নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে গিয়ে খাদ্যমান নির্ধারণে বা খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে গিয়ে চাষি ভাইয়েরা বিভ্রান্তিতে পড়ে থাকেন। তাছাড়া খাদ্য তৈরির সময় বিভিন্ন উপাদান থেকে প্রোটিন সংগ্রহ করতে হয় বিধায় খাদ্যে প্রোটিনের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা বেশ জটিল মনে করে থাকতে পারেন। এ জটিলতা দূর করার জন্যই বিশ্বে মৎস্য ও প্রাণির খাদ্যমান নির্ধারণে Pearson Square পদ্ধতি বা Box method বহুলপ্রচলিত আছে। নিম্নে একটি Pearson Square বা Box method এর মাধ্যমে নির্ধারিত মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য তৈরির পদ্ধতি বা হিসাব দেখানো হলোঃ-
ধরি ৮.২% প্রোটিন সমৃদ্ধ ধানের অটোকূড়া (Rice Bran)ও ৪৪% প্রোটিন সমৃদ্ধ সয়াবিন খৈল (Soybean meal) দিয়ে ২৭% প্রোটিন সমৃদ্ধ ১০০০ কেজি খাদ্য তৈরি করতে হবে।
পদ্ধতিঃ
♦প্রথমে একটি বক্স অঙ্কন করতে হবে।
♦ বক্সের বাম পার্শ্বে উপরে অথবা নিচে অটোকূড়ার প্রোটিন মাত্রা অর্থাৎ বাম পার্শ্বে উপরে অটোকূড়ার প্রোটিন মাত্রা লিখলে নিচে বাম পার্শ্বে সয়াবিনের প্রোটিন মাত্রা এবং বক্সের মাঝখানে প্রত্যাশিত প্রোটিন মাত্রা লিখতে হবে।
♦এখন কর্ণ বরাবর বা তীর্যক রেখা বরাবর অবস্থিত সংখ্যা(প্রোটিন মাত্রা নির্দেশক) দুটির বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে এবং বিয়োগফল বক্সের কর্ণ বরাবর অর্থাৎ কর্ণের অপর প্রান্তে বক্সের ডান পার্শ্বে লিখতে হবে।
♦বক্সের বাম পার্শ্বের Rice Bran বরাবর বক্সের ডান পার্শ্বের সংখ্যা (১৭) খাদ্যের Rice bran এর অংশ নির্দেশ করে। অনুরুপভাবে নিচের চিত্রে ১৮.৮ সংখ্যাটি Soybean meal এর অংশ নির্দেশ করে।
♦বক্সের ডান পার্শ্বের খাদ্যের অংশ নির্দেশক সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে।
লেখাটির নিচে Pearson Square এর চিত্র
দেখানো হলো-
হিসাবঃ-
অটোকূড়া % = অটোকূড়ার অংশ ÷ বক্সের ডান পার্শ্বের দুটি সংখ্যার যোগফল × একশত।
= ১৭ ÷ ৩৫.৮ × ১০০= ৪৭.৪৮৬ বা ৪৭.৫%।
অনুরুপ ভাবে সয়াবিন খৈল % = ১৮.৮ ÷ ৩৫.৮ ×১০০= ৫২.৫%।
অতএব প্রত্যাশিত ২৭% প্রোটিন সমৃদ্ধ ১০০০ কেজি খাদ্য তৈরিতে প্রয়োজন হবেঃ-
অটোকূড়া= ১০০০×০.৪৭৫(৪৭.৫%)= ৪৭৫ কেজি।
সয়াবিন খৈল= ১০০০×০.৫২৫(৫২.৫%)=৫২৫ কেজি।
এ লিখায় মাত্র দুটি উপাদান দিয়ে নির্দিষ্ট মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য তৈরির হিসাব দেখানো হলো। দুয়ের অধিক উপাদান দিয়ে খাদ্য তৈরির হিসাব পরবর্তী লিখায় দেখানো হবে। শুধুমাত্র খাদ্য উপাদানে প্রোটিনের পরিমাণ জানা থাকলে সহজেই নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য আমরা সকলেই তৈরি করতে পারব।
মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য খাদ্যে ২৫-৪০% প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। মাছের প্রজাতিভেদে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ কমবেশি হয়ে থাকে। খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণের ওপর খাদ্যমান নির্ভর করে অর্থাৎ যে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ যত বেশি সেই খাদ্য তত ভালো বলে আমরা ধরে নিয়ে থাকি। দেশে বিদ্যমান মাছের খাদ্য প্রস্তুতকারী কারখানার মালিকগণ তাদের কারখানায় নিযুক্ত পুষ্টি বিশেষজ্ঞ দিয়ে মাছের খাদ্যের পুষ্টিমান নির্ধারণ করে থাকেন।
অন্যদিকে খাদ্যের দাম কমানোর জন্য অর্থাৎ উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য অথবা খাদ্যমানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য, অনেক মাছচাষি নিজেরাই খাদ্য তৈরি করে থাকেন। নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে গিয়ে খাদ্যমান নির্ধারণে বা খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে গিয়ে চাষি ভাইয়েরা বিভ্রান্তিতে পড়ে থাকেন। তাছাড়া খাদ্য তৈরির সময় বিভিন্ন উপাদান থেকে প্রোটিন সংগ্রহ করতে হয় বিধায় খাদ্যে প্রোটিনের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা বেশ জটিল মনে করে থাকতে পারেন। এ জটিলতা দূর করার জন্যই বিশ্বে মৎস্য ও প্রাণির খাদ্যমান নির্ধারণে Pearson Square পদ্ধতি বা Box method বহুলপ্রচলিত আছে। নিম্নে একটি Pearson Square বা Box method এর মাধ্যমে নির্ধারিত মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য তৈরির পদ্ধতি বা হিসাব দেখানো হলোঃ-
ধরি ৮.২% প্রোটিন সমৃদ্ধ ধানের অটোকূড়া (Rice Bran)ও ৪৪% প্রোটিন সমৃদ্ধ সয়াবিন খৈল (Soybean meal) দিয়ে ২৭% প্রোটিন সমৃদ্ধ ১০০০ কেজি খাদ্য তৈরি করতে হবে।
পদ্ধতিঃ
♦প্রথমে একটি বক্স অঙ্কন করতে হবে।
♦ বক্সের বাম পার্শ্বে উপরে অথবা নিচে অটোকূড়ার প্রোটিন মাত্রা অর্থাৎ বাম পার্শ্বে উপরে অটোকূড়ার প্রোটিন মাত্রা লিখলে নিচে বাম পার্শ্বে সয়াবিনের প্রোটিন মাত্রা এবং বক্সের মাঝখানে প্রত্যাশিত প্রোটিন মাত্রা লিখতে হবে।
♦এখন কর্ণ বরাবর বা তীর্যক রেখা বরাবর অবস্থিত সংখ্যা(প্রোটিন মাত্রা নির্দেশক) দুটির বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে এবং বিয়োগফল বক্সের কর্ণ বরাবর অর্থাৎ কর্ণের অপর প্রান্তে বক্সের ডান পার্শ্বে লিখতে হবে।
♦বক্সের বাম পার্শ্বের Rice Bran বরাবর বক্সের ডান পার্শ্বের সংখ্যা (১৭) খাদ্যের Rice bran এর অংশ নির্দেশ করে। অনুরুপভাবে নিচের চিত্রে ১৮.৮ সংখ্যাটি Soybean meal এর অংশ নির্দেশ করে।
♦বক্সের ডান পার্শ্বের খাদ্যের অংশ নির্দেশক সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে।
লেখাটির নিচে Pearson Square এর চিত্র
দেখানো হলো-
হিসাবঃ-
অটোকূড়া % = অটোকূড়ার অংশ ÷ বক্সের ডান পার্শ্বের দুটি সংখ্যার যোগফল × একশত।
= ১৭ ÷ ৩৫.৮ × ১০০= ৪৭.৪৮৬ বা ৪৭.৫%।
অনুরুপ ভাবে সয়াবিন খৈল % = ১৮.৮ ÷ ৩৫.৮ ×১০০= ৫২.৫%।
অতএব প্রত্যাশিত ২৭% প্রোটিন সমৃদ্ধ ১০০০ কেজি খাদ্য তৈরিতে প্রয়োজন হবেঃ-
অটোকূড়া= ১০০০×০.৪৭৫(৪৭.৫%)= ৪৭৫ কেজি।
সয়াবিন খৈল= ১০০০×০.৫২৫(৫২.৫%)=৫২৫ কেজি।
এ লিখায় মাত্র দুটি উপাদান দিয়ে নির্দিষ্ট মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য তৈরির হিসাব দেখানো হলো। দুয়ের অধিক উপাদান দিয়ে খাদ্য তৈরির হিসাব পরবর্তী লিখায় দেখানো হবে। শুধুমাত্র খাদ্য উপাদানে প্রোটিনের পরিমাণ জানা থাকলে সহজেই নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য আমরা সকলেই তৈরি করতে পারব।




0 Comments