Ticker

8/recent/ticker-posts

কৈ মাছের রোগ-বালাই ও প্রতিকার

কৈ মাছের রোগ-বালাই 
চাষের সময়ে কৈ মাছের ক্ষতরোগ ছাড়া আর কোনো রোগ দেখা যায় না। সাধারণত নমুনায়ন পরীক্ষার সময় পুকুরে ছাড়া মাছগুলোই পরবর্তীতে ক্ষতরোগে আক্রান্ত হয় যা পরবর্তীতে ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে। এ ছাড়া ঘন ঘন জাল টানলেও ক্ষতরোগ দেখা দিতে পারে।

প্রতিকার
কৈ মাছের ক্ষতরোগ খুব দ্রুত ছড়ায়। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে তাড়াতাড়ি ভালও হয়ে যায়। ক্ষতরোগের জন্য শতাংশপ্রতি এক কেজি লবণ অথবা disinfectant ( Virex/Timsen/Aquakeelen/Miconil) পানির সাথে মিশিয়ে সমস্ত পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে। এছাড়া প্রতি কেজি খাবার এর সাথে ৬ গ্রাম ভিটামিন সি মিশিয়ে এক সপ্তাহ খাওয়াতে  হবে।  এভাবে এক সপ্তাহ পর আরেকবার একই হারে প্রয়োগ করতে হবে।

শীতকালীন পরিচর্যা
থাই কৈর সাধারণত শীতকালে ক্ষতরোগ দেখা দেয়। তাই শীতকাল আসার আগেই মাছ বাজারজাত করতে হবে। তবে সর্তকতার সাথে ভাল ব্যবস্থাপনা নিলে শীতকালেও মাছ মজুদ রাখা যায়। শীতকালে মাছ মজুদ রাখার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা যেতে পারে-
১. সপ্তাহে অন্তত একদিন পুকুরের পানি পরিবর্তন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ২ ফুট পানি কমিয়ে শ্যালো দিয়েম নতুন পানি ভরে দিতে হবে।
২. প্রতি ১৫ দিন পর পর শতাংশপ্রতি এক কেজি লবণ সমস্ত পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।
৩. মাছের ঘনত্ব প্রতি শতাংশে ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে আনতে হবে।
৪. শীতকালে অবশ্যই ভাসমান খাবার প্রয়োগ করতে হবে। খাবারের অপচয় থেকেও মাছের রোগ-বালাই হতে পারে। ১৫ দিন পর পর মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। যদি মাছের গায়ে কোনো রোগের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে সাথে সাথে বাজারজাত করতে হবে। কেননা কৈ মাছে কোনো রোগ থাকলে বাজারে এর মূল্য পাওয়া যায় না।
৫. মাছের বাজারজাত ছাড়া কোনো অবস্থাতেই ব্যাপকহারে জাল টানা যাবে না।

Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement