Sea Gold এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’ (Protonibea Diacanthus)। দেখতে অন্যান্য সাধারণ মাছের মতো হলেও, মুখের দিকে সোনালি আভা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় কালো jewfish নামে পরিচিত, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি প্রজাতির মাছ। এই মাছটি সামুদ্রিক মাছের সবচেয়ে ব্যয়বহুল জাতের মধ্যে বিবেচিত হয়। এই মাছটির চড়া মূল্যের জন্য একে 'Sea Gold' বা 'সমুদ্রের সোনা' বলা হয়।
সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং জাপান-এই সব দেশে এই মাছের চাহিদা খুব বেশি।ঔষধি গুণাগুণের জন্যই মূলত মাছটির মূল্য এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলি এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ।
এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর জমলে, তা দূর করতে নাকি দারুণ কার্যকরী ঘোল মাছের পটকা থেকে উৎপন্ন ওষুধ।
মাছটির পাখনাও ফেলে দেওয়া যায় না। পাখনা দিয়েও তৈরি হয় নানা ওষুধ এবং দামি মদ তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ, ভিটামিন রয়েছে এই সামুদ্রিক মাছে। অস্ত্রপচারের পর দেহের সঙ্গে মিশে যাওয়া সেলাইয়ের সুতো তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় এই মাছের শরীরের অংশ।
ধন্যবাদ
কৃষিবিদ আরিফ হাসান


0 Comments